উত্তরদিনাজপুর

গুজরাটে কাজ করতে গিয়ে উত্তরবঙ্গের ছেলে শিকল বন্দী হয়ে কাঁটাল ৮ বছর

ধীরেন দেবশর্মার বাড়িতে ফিরে আসে ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে ৭-৮ বছর আগে হাড়িয়ে যাওয়া ছেলে সঞ্জয়। সঞ্জয় এর পাড়া প্রতিবেশী ও তার বাবার সাথে কথা বলে জানা যায় সঞ্জয় জানিয়েছে ৮ বছর ধরে সে এক বন্দী জীবন কাটাচ্ছিল গুজরাটে। সেখানে তাকে লোহার শিকল বন্দী করে এক হোটেলের এটো থালা বাসন পরিষ্কার করানো হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে তাকে গরম লোহা দিয়ে ছ্যাকা দেওয়া হতো  ও শারীরিক নানা রকম অত্যাচার করা হত বলে অভিযোগ। সকাল হতেই গ্রামবাসীরা ঘটনা শুনে ধরে নিয়ে আসে সেই পুরুষ (শিব বর্মন) ও মহিলাকে (টুলটুলি বর্মন) যাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে আর ফেরে নি সঞ্জয়। শিব বর্মন ও টুলটুলি বর্মনকে দেওয়া হয় উত্তম মধ্যম। অভিযোগ এই দুজনের সাথে বছর ১০ আগে ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিল সঞ্জয়। কিন্তু বছর ৭-৮ আগে টুলটুলি ও শিব ফিরে আসলেও ফেরেনি সঞ্জয়। অভিযোগ শিব ও টুলটুলি সঞ্জয়কে মাদক জাতীয় কিছু খাইয়ে অন্যদের হাতে বিক্রি করে দেয় এবং বাড়ি ফিরে শিব বর্মন ও টুলটুলি বর্মন বলে  ফেরার পথে  ট্রেন থেকে আচমকাই গায়েব হয়ে যায় সঞ্জয় আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সঞ্জয়ের বাড়িতে ট্রেনএ ফেলে যাওয়া তার জামা কাপড় ফেরত দেয়। এই ঘটনায় দিন আনা দিন খাওয়া সাধারন গ্রাম্য মানুষ সঞ্জয়ের বাবা স্থানীয় এলাকাবাসীর দারস্থ হয়। কিন্তু সঞ্জয় নিখোজের রহস্য উন্মচোন হয় না। আচমকাই শুক্রবার রাতে বাড়ি ফিরে এই সব ঘটনা জানালে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। 
প্রশ্ন একটাই  যদি সঞ্জয়ের দাবী সত্যি হয় তবে হারিয়ে যাওয়া বঙ্গ সন্তানদের ঠিকানা শিকল বন্দী অবস্থায় গুজরাটের হোটেলে ?

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে

https://www.youtube.com/embed/S1JKA_FZ2vE